উত্তরঃ অ্যাংজাইটি ডিস অর্ডারের ক্ষেত্রে এসব লক্ষন দেখা যায়। সাধারনত রোগীর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার পর যথাযথ সমাধান দেওয়া সম্ভব হয়। সমস্যাটির সমাধানে আপনি একজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞর সাহায্য নিন। যদি আপাতত তা সম্ভব না হয় সে ক্ষেত্রে সকাল ও রাতে শিথিলকরন ব্যায়াম চর্চা করুন।
প্রয়োজনে ইন্টারনেটের সাহায্য নিন, কীভাবে ব্যায়ামটি করতে হয়। সাথে কেবল রাতে ট্যাবলেট এপিক্লন (৫ মিগ্রা) এর একটির অর্ধেকাংশ সেবন করুন। তবে এ ওষুধ ৬ সপ্তাহের বেশি খাওয়া উচিত না। ধন্যবাদ।
ডা. জিল্লুর কামাল
প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট,ঢাকা
Post a Comment